সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চতর সনদ যোগ হচ্ছে সার্ভিসবুকে
prottashitoalo
Prottashitoalo

সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের উচ্চতর সনদ যোগ হচ্ছে সার্ভিসবুকে

0 ৫৯

সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর শিক্ষাগত ডিগ্রি সার্ভিসবুকে যুক্ত হচ্ছে। এর ফলে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হচ্ছে। তবে কেউ চাকরিতে যোগ দেয়ার পর উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করতে হলে অবশ্যই তাকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাধারণত চাকরিতে যোগ দেয়ার সময় যেসব সার্টিফিকেট জমা দেন তা সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করলে তাও সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

কিন্তু অনেক শিক্ষক অধ্যয়নরত থাকার সময়ে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন এবং পরে চাকরিরত অবস্থায় অধ্যয়ন সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া অনেক শিক্ষক নৈশকালীন বা খণ্ডকালীন কোর্স সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেননি। কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিরেকে যদি কোনো শিক্ষক শিক্ষাগত যোগ্যতা অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন, তবে ওই যোগ্যতা সার্ভিসবুকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।

আরো পড়ুন: ফেসবুকে মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি, জবি ছাত্রী বহিষ্কার

এ অবস্থায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদগুলো যাচাই করে সার্ভিসবুকে অন্তর্ভূক্ত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে সেক্ষেত্রে এখন থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।

এই বিষয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ বলেন, এই আদেশের মাধ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসন হয়েছে। এতে শিক্ষকদের প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদার পাশাপাশি সামাজিকভাবে মর্যাদা বাড়ছে। এজন্য তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সারা দেশে প্রায় দেড় লাখ শিক্ষক তাদের অনুমতি ছাড়া অর্জিত সার্টিফিকেট সার্ভিস বুকে অন্তর্ভুক্ত করার সুবিধা পাবেন।

প্রসঙ্গত, সহকারী শিক্ষকদের নতুন নিয়োগ বিধি-২০১৯ অনুযায়ী, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে কমপক্ষে দ্বিতীয় শ্রেণির স্নাতক ডিগ্রি। তাই স্নাতক হয়েও অনেক নারী শিক্ষক সরকারি কাগজে-কলমে এখনো উচ্চমাধ্যমিক পাস। এ কারণে সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হলেও এই শিক্ষকরা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

web site
Comments
Loading...