Prottashitoalo

সরকারকে ‘সর্বদলীয় কমিটি’ গঠনের প্রস্তাব বিএনপির

0 4

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় টেউয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হয়ে উঠেছে। ফলে এই অবস্থার মোকাবিলায় সরকারকে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রস্তাবে তিনি বলেছেন, জনগণকে সম্পৃক্ত করতে সরকারকে ‘সর্বদলীয় কমিটি’ গঠন করতে হবে।

শুক্রবার বিকালে এক ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।  রাজধানীর উত্তরার নিজ বাসা থেকে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, এখনো সময় আছে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করে এই সমস্যার সমাধান করা যাবে। এটি বিশাল চ্যালেঞ্জ, জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দল, সংগঠন, ব্যক্তি সব স্তরের মানুষকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

ফখ্রুল বলেন, আসুন আমরা জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে এই সংকট মোকাবিলায় উদ্যোগ নেই- মানুষ বাঁচাই, দেশ বাঁচাই।

মির্জা ফখরুল বলেন, এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো মানুষের জীবন ও জীবিকাকে রক্ষা করা। আমরা সরকারকে আহ্বান করব, প্রতিটি ইনফরম্যাল সেক্টরের যারা উদ্যোক্তা আছেন তাদেরকে যথেষ্ট পরিমাণ প্রণোদনা দিতে হবে। এই ইনফরম্যাল সেক্টরে যারা শ্রমিক রয়েছেন বিভিন্ন দোকান-শিল্প কলকারখানায় তাদেরকেও ভাতা প্রদান করতে হবে। যত দিন এই সমস্যা থাকবে বিশেষ করে লকডাউন থাকবে তাদেরকে ভাতা প্রদান করতে হবে। বিশেষ করে যারা একেবারে দিন আনে দিন খায় মানুষ তাদেরকে ব্যাপক হারে ত্রাণ সামগ্রী দিতে হবে।

সব মানুষের জন্য করোনার টিকা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে যেটা জানতে পেরেছি, বাংলাদেশকে যদি হার্ড ইমিউনিটির মধ্যে আনতে হয় তাহলে কমপক্ষে সাড়ে ১২ কোটি মানুষকে টিকা দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। প্রশ্ন হচ্ছে, সাড়ে ১২ কোটি টিকার এখন পর্যন্ত কোনো সংস্থান হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা প্রস্তাব রাখতে চাই- মানুষের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি তৈরির জন্য সাড়ে ১২ কোটি টিকা সংগ্রহ করতে হবে। এই টিকা সংগ্রহে এখনই এই মুহুর্তে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

হাসপাতালে বেড ও আইসিইউ সংকট, করোনা পরীক্ষার অপ্রতুলতাসহ যে দুরাবস্থা চলছে তার জন্য সরকারের ‘ব্যর্থতা, উদাসীনতা, সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনা’কে দায়ী করেন বিএনপি মহাসচিব।

web site
Comments
Loading...