Prottashitoalo

নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি মিয়ানমার সামরিক সরকারের

0 9

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান হয়। এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক সরকারকে। ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। এছাড়া ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয় সাবেক জেনারেল ও বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট মিন্ট সোয়েকে। এই অভ্যুত্থানের পেছনে অন্যতম কারণ গত নভেম্বরের নির্বাচন। ওই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে সেনাবাহিনী। এরপর পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে ১ ফেব্রুয়ারি প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের প্রথমে আটক এবং পরে বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয় মিয়ানমারে।

অং সান সু চির সরকারের পতনের পর মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) প্রথমবারের মতো সামরিক সরকার এক সংবাদ সম্মেলন করে। সেখানে দেশটিতে নতুন নির্বাচনের মধ্যদিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা।

ফেসবুকে এই সংবাদ সম্মেলন লাইভ করা হয়। যদিও দেশটিতে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার বন্ধ করে দিয়েছে জান্তা সরকার। সংবাদ সম্মেলনে এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য হলো নির্বাচনের আয়োজন করা ও বিজয়ী দলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।’

আরো পড়ুন: কঙ্গোতে নৌকা ডুবি: ৬০ জনের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ শতাধিক

দীর্ঘদিনের জন্য ক্ষমতায় থাকার ইচ্ছে নেই বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হলেও কবে নাগাদ এ নির্বাচন হতে পারে, সে সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। কিন্তু এক বছরের জন্যে রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা জারি থাকবে বলে জানায় জাও মিন তুন। এসময় অভ্যুত্থানের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।

দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা গ্যারান্টি দিচ্ছি … যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে’।

এদিকে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাড়ছে দিনে দিনে। বিক্ষোভ রুখতে সরকারও একটু একটু করে চড়াও হচ্ছে। এমন অবস্থায় সেনা সরকারকে ‘ভয়ানক পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতিসংঘ। মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক।

Comments
Loading...