Prottashitoalo

দেশের বাজারে করোনার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’

0 12

দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্বে তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনাভাইরাস। ১০ নভেম্বর পর্যন্ত এই ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫০ লাখ ৭৯ হাজারের বেশি মানুষ। এই ভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টিকা প্রদান শুরু হয়েছে। তবে করোনার চিকিৎসায় এত দিন অনুমোদিত কোনো সুনির্দিষ্ট ওষুধ ছিল না। গত ৪ নভেম্বর এর চিকিৎসায় বিশ্বে প্রথম ‘মলনুপিরাভির’–এর অনুমোদন দেয় যুক্তরাজ্য।

এরপরই বাংলাদেশের বাজারে ‘মলনুপিরাভির’ নিয়ে এসেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি এসকেএফ ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। করোনায় আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ ক্যাপসুল খেতে পারবেন। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই দেশের বিভিন্ন ওষুধের দোকানে পাওয়া যাচ্ছে।

মলনুপিরাভির মুখে খাওয়ার ক্যাপসুল বা বড়ি। সাধারণত ফ্লুর চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হতো। যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশে করোনা চিকিৎসায় এই ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে দেখা গেছে, এই ক্যাপসুল রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেক কমিয়ে দেয়। এই ওষুধের অনুমোদন দেওয়ার পর যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলেছেন, যেসব ব্যক্তি দুর্বল এবং যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, তাদের চিকিৎসায় এই ওষুধ প্রয়োগ হবে যুগান্তকারী।

আরো পড়ুন: শীতে করোনায় ৫ লাখ প্রাণহানি ঘটতে পারে ইউরোপে: ডব্লিউএইচও

চিকিৎসকরা বলছেন, মলনুপিরাভির ক্যাপসুলের ফুল কোর্স হবে পাঁচদিনে। প্রতিদিন আটটি ক্যাপসুল খেতে হবে, যার মধ্যে সকালে চারটি ও রাতে চারটি। অর্থাৎ পাঁচদিনে মোট ৪০টি ক্যাপসুল খেতে হবে।

বেক্সিমকো ছাড়াও করোনার ক্যাপসুল উৎপাদনের অনুমোদন পেয়েছে এসকে অ্যান্ড এফ, ইনসেপটা এবং জেনারেলসহ আরো বেশ কয়েকটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি।

মঙ্গলবার দুপুরে এসকে অ্যান্ড এফ ফার্মাসিউটিক্যালসও ওষুধটির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সম্পর্কে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমের কাছে বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা তাদের উৎপাদিত ওষুধের দাম মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে বলে জানান।

Comments
Loading...