Prottashitoalo

চট্টগ্রামে পথ হারানো কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

0 13

অনলাইন ডেস্ক : চট্টগ্রামে পথ হারিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক কিশোরী। এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে নগরের মনছুরাবাদ ও সীতাকুণ্ড বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলো- নগরের হালিশহর বি ব্লক এলাকার মেহেদী হাসান মুন্না, সীতাকুণ্ড এলাকার মো. সাকিব ও চান্দগাঁও এলাকার হাসান তারেক রনি। মুন্না পেশায় লরিচালকের সহকারী এবং সাকিব ও রনি নৈশপ্রহরী।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে ওই কিশোরী তার ফুফাতো ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে নগরের মনছুরাবাদ থেকে আগ্রাবাদ এলাকার একটি হাসপাতালে আসে। হাসপাতাল থেকে বের হয়ে বাসায় ফেরার সময় মানুষের ভিড়ে ভাবির সঙ্গে বাসে উঠতে পারেনি কিশোরী। ভাবি গাড়ি থেকে নেমে অনেক খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে বাসায় চলে যান। এদিকে ওই কিশোরী তার ভাবিকে না পেয়ে আক্তারুজ্জামান সেন্টারের সামনে গিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। ওখানে মুন্না এসে মেয়েটির কান্নার কারণ জানতে চায়।

কিশোরী বাড়ির পথ হারানোর ঘটনা খুলে বলে। মুন্না তাকে মনছুরাবাদে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অটোরিকশায় তুলে সাগরিকা, অলংকারসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাতে থাকে। সন্ধ্যা হলে তাকে বাসে করে সীতাকুণ্ড কালুশাহ নগর এলাকার পশ্চিমে বেড়িবাঁধে নিয়ে যায়। সেখানে মুন্নার পূর্বপরিচিত সাকিব ও রনির ভাড়া ঘরে মেয়েটিকে রেখে ধর্ষণ করে তারা। পরদিন সকালে বাসে করে মেয়েটিকে মনছুরাবাদে পৌঁছে দিয়ে যায় মুন্না। ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয়ও দেখায়।

ডবলমুরিং থানার এসআই অর্ণব বড়ূয়া বলেন, ঘটনার পর মেয়েটি আতঙ্কগ্রস্ত ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় পরিবারের সদস্যদের এ বিষয়ে কিছু জানায়নি। তবে ঘটনার পর থেকে এক ধরনের আতঙ্কে ছিল মুন্নাও। পরিস্থিতি বোঝার জন্য বুধবার রাতে সে মনছুরাবাদ এলাকায় কিশোরীর বাসার আশপাশে এসে ঘোরাঘুরি করতে থাকে। মেয়েটি তাকে দেখে ভয়ে চিৎকার দিয়ে উঠে এবং ঘটনা সবাইকে খুলে বলে।

তখন স্থানীয় লোকজন মুন্নাকে ধরে ফেলে এবং ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে। খবর পেয়ে মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে রাতে অভিযান চালিয়ে সীতাকুণ্ড বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাকিব ও রনিকে। তাদের বিরুদ্ধে কিশোরীর বড় বোন থানায় মামলা করেছেন।

Comments
Loading...