Prottashitoalo

ক্রমেই শক্তি বাড়াচ্ছে ‘গুলাব’, সন্ধ্যায় আছড়ে পড়তে পারে উপকূলে

0 21

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ ভারতের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ভারতের আবহাওয়াবিদরা ধারণা করছেন, ওড়িশার গোপালপুর ও অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের মাঝে কলিঙ্গপত্তনমের কাছে রবিবার সন্ধ্যায় এটি আছড়ে পড়তে পারে।

ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৫টায় সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানানো হয়, গুলাব গোপালপুর থেকে ২৭০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণপূর্বে এবং কলিঙ্গপত্তনম থেকে ৩৩০ কিলোমিটার পূর্বে রয়েছে। ক্রমেই তা পশ্চিমানুসারী হচ্ছে। আজ বিকেলে কলিঙ্গপত্তনম ও গোপালপুরের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করার কথা এই ঘূর্ণিঝড়টির।

ঘূর্ণিঝড়ের সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে না পড়লেও দুর্যোগের হাত থেকে রেহাই মিলছে না। রবিবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হবে উপকূলের জেলাগুলিতে। সেইসঙ্গে কলকাতাতেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলে ভারী বৃষ্টি হবে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তৈরি রাখা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। একই ছবি এ রাজ্যের উপকূল এলাকাতেও। মাইকে প্রচার করে সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিচ্ছে প্রশাসন।

আরো পড়ুন: সমুদ্র বন্দরসমূহে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

আইএমডি-র পক্ষ থেকে কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে পুরি, নয়াগড়, কালাহান্ডির মত জেলাগুলিতে। অর্থাৎ এই এলাকাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। হলুদ সর্তকতা জারি রয়েছে ভদ্রক, কেন্দ্রপাড়া, বালাসোর, কটক, সোনপুর, নোয়াপাড়া এলাকায়। এই অঞ্চলগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। ধারণা করা হচ্ছে আজ সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ ৯৫ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় বইতে পারে। পুরী, কেন্দ্রপাড়া, কোরাপুট অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের গতি হতে পারে ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার। বাংলা, ওড়িশা, অন্ধ্র তিন রাজ্যেরই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে না করা হয়েছে।

এদিকে রবি ও সোমবারের মধ্যে আরো একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায়। ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপের রূপ নিয়ে বাংলার উপকূলে এগিয়ে এসে ভাসাতে পারে বাংলার বহু জনপদ। ফলে ইতিমধ্যেই আবহবিদেরা দুই মেদিনীপুরে এবং দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টির হলুদ সর্তকতা জারি করেছেন। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা/নিউজ-১৮

Comments
Loading...