Prottashitoalo

এলিয়েন নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিয়েছিলো যে ছবি!

0 8

গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর মতোই অজস্র গ্রহ। ২০ হাজার কোটিরও বেশি ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি ছড়িয়ে আছে মহাবিশ্বে। এর কোনোটিতে কী আসলেই এলিয়েনদের অস্তিত্ব আছে? দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের মনে এই প্রশ্ন উঠেছে। কেউ বলেছেন বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কোথাও না কোথাও এলিয়েন বলে নিশ্চয়ই কিছু আছে, আবার কেউ বলেছেন এই দাবি একেবারেই অবাস্তব।

তবে অনেকেই আছেন যারা বিশ্বাস করেন এলিয়েনের অস্তিত্বের কথা। আর একটা ছবি এখন ভীনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে বিতর্ক বেশ উস্কে দিয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, অটোপ্সি টেবিলে শুয়ে রয়েছে এক প্রাণী। আলোকচিত্রে যে প্রাণী দেখা যাচ্ছে, তা এলিয়েন বলেই বিশ্বাস অনেকের। সম্প্রতি এক ই-কমার্স মাধ্যমে নিলামে ওঠে সেই ছবি। ইতিমধ্যেই যার দাম ছাড়িয়েছে ১১ লাখ মার্কিন ডলার।

কিন্তু ওই ছবি দেখে কেন এমন ভাবনা? কী প্রমাণ রয়েছে তাদের কাছে? এমন বহু প্রশ্নের উত্তর পেতে গেলে পিছিয়ে যেতে হবে ১৯৪৭ সালের একটি ঘটনায়। ঘটনাটি নিউ মেক্সিকোর রসওয়েল শহরকে নিয়ে। সেদিন এক আজব ঘটনার নাকি সাক্ষী ছিল সেই শহরের মানুষ।

সেসময় কিছু মানুষ দাবি করে, সেদিন সকালবেলায় তারা এক অদ্ভুত আকৃতির আকাশযান দেখেছিল। রটে যায় এই যান এসেছিল ভীনগ্রহ থেকে। সেই যানটিকে পরের দিকে পড়ে থাকতেও নাকি দেখা যায়। সেখান থেকে এক ভীনগ্রহের প্রাণীর মৃতদেহও নাকি উদ্ধার করে মার্কিন সেনাবাহিনী। সেসময় সেই প্রাণীর পোস্টমর্টেমও নাকি করা হয়েছিল। তার ছবিও নাকি তোলা হয়েছিল।

এই ছবিই এলিয়েন নিয়ে বিতর্ক বেশ উস্কে দিয়েছে। ছবি- সংগৃহীত

আরো পড়ুন: হিটলারের ৫০ কোটি পাউন্ড গুপ্তধনের সন্ধান!

সেই ছবিই নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিটি কিন্তু মোটেও বিকৃত নয়। কারণ ছবিটি এনএফটি তকমাও পেয়েছে। অর্থাৎ এটি একেবারে আসল আলোকচিত্র।

জানা যায়, ১৯৯২ সালে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক ক্যামেরাম্যানের থেকে এই নেগেটিভটি কিনেছিলেন ইংল্যান্ডের চলচ্চিত্র প্রযোজক রে সান্টিলি। দীর্ঘদিন এই ছবি গোপন করে রাখা হয়েছিল। কারণ এই নিয়ে বহু বিতর্কও হয়েছিল। এক মূর্তি নির্মাতা তো এও দাবি করেছিল, ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে সেটা আসলে একটা মূর্তি। যে মূর্তি নাকি বানিয়েছিলেন তিনিই। আর মূর্তিটি বানানো হয়েছিল মানুষকে বোকা বানানোর জন্য।

তবে ২০১৯ সালের ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ ডিসকভারি সায়েন্স সংস্থার একটি স্বাধীন গবেষণার রিপোর্ট আবার চাঞ্চল্য ফেলে দেয়। ২০০১ সালে তারা একটা পরীক্ষা করেছিল। আর সেখানেই দাবি করা হয়, ওটা কোনো মূর্তি নয়, ছিল একটি মৃত প্রাণী। যে প্রাণীর সঙ্গে এ জগতের কোনো প্রাণীরই মিল নেই। তাই আবার প্রশ্ন ওঠে, তার মানে কি সত্যিই সেটি ভীনগ্রহের প্রাণী ছিল?

এসব বিতর্কের মাঝেই সান্টিলি ‘রারিবল’ নামের ই-কমার্স মাধ্যমে নিলামে তোলেন। যে নিলামে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১০ লাখ মানুষ। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭

Comments
Loading...