Prottashitoalo

ঈদের আগের দিনও শিমুলিয়ায় ঘরমুখী মানুষের ঢল

0 8

একমাস সিয়াম সাধনার পর দরজায় কড়া নারছে খুশির ঈদ। শুক্রবার (১৪ মে) পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উদযাপিত হবে। তবে এবারও খুশির ঈদে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনাভাইরাস। কিন্তু সংক্রমণ বৃদ্ধির ভয়কে পরোয়া না করে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে রাজধানী ছেড়েছেন অনেকে।

বৃহস্পতিবার (১৩ মে) ঈদের আগের দিনও মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে ভোর থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী হাজার হাজার যাত্রীর ঢল নামে। এছাড়া যানবাহনের ভীড়ও বেড়েছে অনেক। সকাল থেকেই পারের জন্য শিমুলিয়া ঘাটে শহস্রাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাক অপেক্ষায় রয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ জানান, গত কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গমুখী যাত্রীর চাপ অব্যাহত থাকলেও আজ বৃহস্পতিবার ভোর থেকে দক্ষিণবঙ্গগামী ব্যক্তিগত ও পণ্যবাহী যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে থাকে ঘাট এলাকায়। সকাল থেকে যানবাহনসহ যাত্রীদের উপচে পড়া ভীড় রয়েছে ঘাটে।

আরো পড়ুন: গৌরনদীতে বাসের ধাক্কায় নিহত ২

ফয়সাল আহমেদ বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করেই দক্ষিণবঙ্গ গামী যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটের বর্তমানে বহরে থাকা ১৫টি ফেরি দিয়েই দিনে ও রাতে যাত্রী পারাপার করানো হচ্ছে। শিমুলিয়ার ১-২-৩ নাম্বার ঘাটে রয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। পন্টুনে মানুষ গাদাগাদি করে ফেরিতে উঠতে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। নেই কোনো প্রশাসনিক হস্তক্ষেপও। যাত্রীরা দুর্ঘটনার তোয়াক্কা না করেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফেরিতে উঠে নিজ গন্তব্যে ঘাট ছেড়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, আগামীকাল শুক্রবার ঈদের কারণে ছুটির দিন হওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। মূলত ঈদকে কেন্দ্র করেই ঘাটে সহস্রাধিক এই জনস্রোত। ফেরিতে পণ্যবাহি ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্সের সাথে যাত্রীদেরও পার করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব গাড়ি পার করা হবে।

Comments
Loading...